দুপুর ১:১৯, ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কোভিড-১৯: বিভিন্ন দেশের কড়াকড়ির কারণে যাত্রী সংকট কাটছে না দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার আগেই যাত্রী সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ বিমান। চেন্নাইয়ে নতুন রুট চালুর ঘোষণা দিয়েও আপাতত ছাড়া হচ্ছে না ফ্লাইট। বাতিল হয়েছে কলকাতার ফ্লাইটও। সৌদি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কমেছে যাত্রী।

ভ্রমণে আরো বিধিনিষেধ আসলে ফ্লাইট পরিচালনায় চ্যালেঞ্জ বাড়বে বলে মনে করে বিমান সংস্থাগুলো। বিশ্লেষকরা বলছেন, ফ্লাইট একেবারে বন্ধ হলে অনাস্থা সৃষ্টি হবে। নিজ খরচে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার শর্তসহ ভিসা প্রদানে কড়াকড়ি আছে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট চালুর পর শুরুতে আটকে পড়া কর্মীদের ঢল থাকলেও নানা জটিলতায় এখন কমেছে যাত্রী। ভারতে পর্যটক ভিসা চালু না হওয়ায় যাত্রী খরা কাটছে না। ফলে ১৫ নভেম্বর থেকে চেন্নাইয়ে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েও স্থগিত করেছে বিমান। আর চালুর ৫ দিনের মাথায় বাতিল করা হয়েছে কলকাতা ফ্লাইট।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহেরা খন্দকার সম্প্রতি বলেন, শুধু দিল্লী ফ্লাইট চলছে। কলকাতা ও চেন্নাই ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। যাত্রীর সংকট খুব বেশি।

নভোএয়ার ও রিজেন্ট দুই বিমান সংস্থারও একই অবস্থা। তবে ইউএসবাংলার অবস্থা এদের তুলনায় অনেকটাই ভালো। তাদের যাত্রী কিছুটা সংকট থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করেনি বিমান সংস্থাটি।

ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এখনো বন্ধ করা হয়নি। যাত্রী আছে তবে চাহিদার তুলনায় খুবই কম। সম্পাদনা: বাশার নূরু